পোস্টগুলি

জুন, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রং বদল

রং একটু বদলে নিলেই কুৎসিত'ও কী ভাবে যেন সুন্দর মুখোশ হয়ে যায়..

বৃষ্টিতে যারা হাঁটেনি কখনও

৮) মনে হচ্ছে বৃষ্টি হবে হবে মেঘের নিচে কাশের আকাশ মনের অবান্তরে হাওয়ার চলন এলো মেলো পাথর ছুঁয়ে ফুল ফোটালো অঝোর দু-জন, ঝমঝমে ছাদ, ঠোঁটের শেকল জুড়ে— কাশ পেরোলে ট্রেনের সানাই রং লেগেছে ধূসর জামায় দু-হাত বেঁধে উঠছে জীবন জীবনমন্থনে এই ক-দিনে, এই ক-দিনে

আমার কবিতা যাপন

উড়তে চাওয়া পাখি, তার ডানায় কুঠার কখনো দুপুরে পোড়ে, অথবা নিজেরই ধারে ছাঁটা যায় ডানাখানি তার॥ বেশিরভাগ বাঙালী যেমন দু কলম লেখে নিজের জীবনে, সেভাবেই একদিন লেখা আসে আমারও কলমে। ব্যাচেলর জীবন, প্রেম , প্রেমে ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, সেখানেও টানাপোড়েন এই সবই যেন একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত জীবনের এক একটা প্রাকৃতিক অধ্যায়। ছোটবেলা থেকে রবীন্দ্রনাথ পড়তে পড়তে কাঁচা হাতে হয়তো কয়েকটা কবিতা লিখেছিলাম একসময়। সেই এক যুগ ছিল, ছোটদের শুকতারা আসতো বাড়িতে। সাধারণ ডাকে একদিন পোস্ট করে দিই, দেখি পরের মাসে সেই কবিতাই ছাপা হয়েছে ওই পত্রিকায়। সে এক শিশু মনের অনাবিল আনন্দ। তার পর আবার কবিতা লিখি বয়সসন্ধি কালে। যখন প্রথম প্রেম গন্ধ ছড়িয়েছে মনে ও মাথায়। এভাবেই হয়তো লেখা এসে গেছে এক একটা সময়ের অন্তর্জালে জীবনের ভাবনা জমাতে। অল্পবিস্তর লিখতে লিখতে ফেসবুক বেশ বড় ভূমিকা নেয় আর কিছু মানুষের ভালোলাগা প্রেরণা দেয় এই লেখার সমুদ্রে ডুব দিতে। জীবনের রোদে ঘামতে ঘামতে মানুষ যখন অবকাশ পায়, নিজেকে নিংড়ে নিয়ে বের করে প্রকাশের ভাষা। কারো কাছে তা নিছক কবিতা, আবার কারো কাছে জীবনের এক অমূল্য পাণ্ডুলিপি। মনে আছে যে...