Posts

Showing posts from December, 2022

পক্ষপাত

ঠুনকো আওয়াজ ঝড়ের গলায়, ঘোড়লাগাম ছুটছে, বালি ছিটিয়ে ভাবে পক্ষীরাজ থামতে হতো ডঙ্কাওয়াজে, পেণ্ডুলাম দেখিয়ে দেবে শেষ সময়ের সিংহদ্বার ওই যে দূরে মাঠের শেষে খড়ের ঘর সেইখানে কে বীণ বাজালো মূর্ছণায় তলব তোমায় শিখিয়ে দেবে দ্বিপ্রহর কাঠের গলা শুকিয়ে এলে কষ্ট হয় কোনখানে শিরদাঁড়ার পয়েন্ট সব জেনেও গোপন পকেট সূঁচ ফোটালেই পক্ষাঘাত বাঁচিয়ে রাখার শর্তে শুধু দেখছে কেউ মেঘের মাথায় সূর্য এলেই বজ্রপাত হঠাৎ আলো তীব্র এলেই অবাক হয় অন্ধকারে ধুঁকতে থাকা চাষআবাদ খুড়ছে কবর অহংকারের শেষ সময় পথের কাছেই চিনতে এলাম পক্ষপাত৷ © প্রভাত ঘোষ

ছায়া

নিজের ছায়ার কাছে বসে আছি রবিবার, দুপুরের ছাদে দেখছি কিভাবে সূর্য নড়ে গেলে সরে যায় ছায়া আমাদের মায়া দূরে ঝাঁক পায়রার দল সারি বেঁধে উড়ে যাচ্ছে ঘুরপাক খেয়ে ফের ফিরে আসছে বাড়ি আমরা তার কতটুকু পারি বড়দিন, জন্মদিন সব ফিকে হয়ে আসে সময়ের পথে তবু কেউ ধরে থাকে, ব্যতিরেকে সমস্ত লাঞ্ছন আলো জ্বালে, বলে কর্নেল আউট হয়ে কত দিন বেঁচে থাকে বর্ডারের ফাঁক সময়ে ফারাক আর মায়ায় বাঁধন পাহাড়ে দিনের পর রাত নয় মৃত্যু নেমে আসে যেটুকু দিনের আলো - চেখে নাও, দেখে নাও, বেঁচে নাও প্রকৃতির ঋণে যেটুকু জীবন আছে দিনে আমরা সব সন্ধানী ডুবুরি মৃত্যু আসছে জেনেও আমরা উজ্জাপন করি। © প্রভাত ঘোষ 

রক্তাক্ত ঘুঙুর

ঘুঙুর ভেঙেছে যার, রক্ত ঝরা জমিনে ছয়লাপ বিধবার কাপড়ে ছিটিয়ে— ধুয়ে ফেললে জ্যোৎস্না আর নিংড়ে নিলেই পাপ ভুলে যায় ক্ষমাও সংলাপ শব্দের প্রকৃতি এসে জনান্তিকে দিয়ে যাও আলো চড়া রোদে দৃষ্টি দিলে কালো ফুটোয় চাঁদের আলো, চালা ঘর তবুও রঙিন ভাঙা লবঙ্গের ঝাঁঝে প্যার বিচূর্ণ লঙ্কার বুকে গোপনে লুকিয়ে থাকে মারণের বিষেলা ক্যান্সার কোথায় ধুলোর ঝড়, যেখানে ধুলোর মুঠি চোখে নিজ হাত, নিজের বিচার— ঘাড়ের উদ্দেশ্যে নিজে কুঠার ওঠাবে না কি হাত ধুয়ে সাজাবে বিহার...

ঝালরের শোক

(১) একদিন মহাকাশ নড়ে যাবে, ভূকম্পের আড়ে যে লুকিয়ে রাখা উষ্ণ প্রস্রবণ  পুড়িয়ে দিচ্ছে চামড়ায় ঢাকা জীবন্ত ঝালর— প্রাণবন্ত পাখিটির ঘর ঢুঁ মেরে লণ্ঠণের বাতি ঠেলে জ্বলে উঠল চাতালের খড় মুখোশে লুকিয়ে থাকা মিথ্যের বহর৷ শোনো শোনো ওইখানে চিৎকার দাউদাউ স্বার্থের আগুন প্রতিরোধ, প্রতিবাদ নিবারনে ধেয়ে আসে খুন৷